নারায়ণ সেবা প্রতিষ্ঠান উদয়পুর (রাজস্থান) ভিত্তিক একটি বেসরকারি ও অলাভজনক সংস্থা। সারা দেশে সংস্থাটির ৪৮০টিরও বেশি শাখা রয়েছে। গত কয়েক বছরে সংস্থাটি মানুষের জীবনের বিভিন্ন ক্ষেত্রে ইতিবাচক পরিবর্তন এনেছে। এই সংস্থা মূলত প্রতিবন্ধী মানুষের কল্যাণে কাজ করে এবং তাদের সমাজের মূল স্রোতের সঙ্গে যুক্ত করার চেষ্টা করে।
এছাড়াও, মূক-বধির ও অসহায় শিশুদের বিনামূল্যে শিক্ষা ও খাদ্য প্রদান করে তাদের জীবন গড়ে তোলার কাজও করে। পাশাপাশি সংস্থাটি প্রতিবন্ধী ও দৃষ্টিহীন মানুষের দক্ষতা উন্নয়নের জন্য কাজ করে, যাতে তারাও অন্যদের মতো জীবনে এগিয়ে যেতে পারে।
নারায়ণ সেবা প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৮৫ সালে এক মুঠো আটা দিয়ে। সংস্থাটির মূল উদ্দেশ্য হলো সমাজের শারীরিক ও আর্থিকভাবে পিছিয়ে পড়া মানুষদের সাহায্য করা। এখানে জন্মগত প্রতিবন্ধকতায় আক্রান্ত রোগীদের সংশোধনমূলক অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে বিনামূল্যে চিকিৎসা প্রদান করা হয়। চিকিৎসার পর প্রয়োজনীয় ব্যক্তিদের বিনামূল্যে কৃত্রিম অঙ্গও প্রদান করা হয়, যাতে প্রতিবন্ধীরাও অন্যদের মতো সহজভাবে জীবনযাপন করতে পারেন।
বর্তমানে সংস্থাটির উদয়পুরে ১১০০ শয্যার একটি হাসপাতাল রয়েছে, যেখানে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে রোগীরা সংশোধনমূলক অস্ত্রোপচারের জন্য আসেন। এখন পর্যন্ত এই সেবামূলক সংস্থা জাতি, ধর্ম বা লিঙ্গভেদ না করে লক্ষ লক্ষ প্রতিবন্ধী মানুষের সংশোধনমূলক অস্ত্রোপচার করেছে। সংস্থার পক্ষ থেকে প্রদান করা সমস্ত চিকিৎসা পরিষেবা সম্পূর্ণ বিনামূল্যে।
এই সংগঠনের লক্ষ্য হলো সেই সমস্ত ব্যক্তিদের জন্য সবথেকে ভালো চিকিত্সা ও স্বাস্থ্যসেবার সুবিধা প্রদান করা যাদের অবস্থা স্বচ্ছল নয় বা যাদের আর্থিক অসুবিধা আছে।
এই সংগঠন নিঃস্ব, অসহায় দিব্যাঙ্গ (বিশেষভাবে সক্ষম) দম্পতিদের জীবনকে সমৃদ্ধ করার জন্য গণবিবাহের আয়োজন করে। এর পাশাপাশি দরিদ্র শিশুদের ভবিষ্যৎকে উজ্জ্বল করার জন্য বিনামূল্যে উচ্চমানের শিক্ষা প্রদান করে।
এই সংগঠন (NSS) দিব্যাঙ্গদের জীবনকে আরো উন্নত করার জন্য তাঁদেরকে বিভিন্ন কিছু করার সুযোগ করে দেয় যেমন ট্যালেন্ট শো, দিব্যাঙ্গ প্যারাস্পোর্টসে অংশগ্রহণ করা আর এর সাথে তাঁদের দক্ষতাকে বাড়ানোর জন্য কম্পিউটারের প্রশিক্ষণ, সেলাইয়ের প্রশিক্ষণ, মোবাইল সারানো ও অন্যান্য টেকনিক্যাল প্রশিক্ষণও প্রদান করে।

সরকারি হাসপাতালে রোগী ও তাঁদের পরিবারের জন্য বিনামূল্যে খাবার বিতরণ।

একটা অনাথ আশ্রম যেটা বিনামূল্যে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, পুষ্টি এবং থাকার জায়গার সুবিধা প্রদান করে।

পোলিওতে আক্রান্ত রোগীদের জন্য প্রথম হাসপাতাল স্থাপিত হয়, যেখানে দিব্যাঙ্গ ব্যক্তিদেরকে বিনামূল্যে চিকিৎসা প্রদান করা হয়।

দিব্যাঙ্গ ব্যক্তিদেরকে এবং যাঁরা বিভিন্ন সুবিধার থেকে বঞ্চিত তাঁদেরকে এই পৃথিবীতে সংগ্রাম করে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার জন্য বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।

সামাজিক পুনর্বাসনের প্রচেষ্টা করার জন্য বিনামূল্যে দিব্যাঙ্গ ব্যক্তিদের বিবাহ অনুষ্ঠান।

ওয়ার্ল্ড অফ হিউম্যানিটির লক্ষ্য হলো এমন একটা সমাজ তৈরি করা যেখানে সবাই সমান অধিকার পাবে এবং যেখানে সব ধরণের পরিষেবা পাওয়া যাবে।

দৈনিক মজুরি শ্রমিক ও আক্রান্তদের জন্য বিনামূল্যে খাবার, মাস্ক, স্যানিটাইজার এবং রেশন কিট বিতরণ অভিযান

অত্যন্ত প্রতিভাবান, দিব্যাঙ্গ ব্যক্তিদের জন্য ট্যালেন্ট শো।

গরীব শিশুদের জন্য বিনামূল্যে ভালো মানের ডিজিটাল শিক্ষা।

আমাদের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান, মাননীয় কৈলাশ জি 'মানব' তাঁর সেবামূলক কাজের জন্য পদ্মশ্রী পুরস্কার পেয়েছেন।
সরকারি হাসপাতালে রোগী ও তাঁদের পরিবারের জন্য বিনামূল্যে খাবার বিতরণ।
একটা অনাথ আশ্রম যেটা বিনামূল্যে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, পুষ্টি এবং থাকার জায়গার সুবিধা প্রদান করে।
পোলিওতে আক্রান্ত রোগীদের জন্য প্রথম হাসপাতাল স্থাপিত হয়, যেখানে দিব্যাঙ্গ ব্যক্তিদেরকে বিনামূল্যে চিকিৎসা প্রদান করা হয়।
দিব্যাঙ্গ ব্যক্তিদেরকে এবং যাঁরা বিভিন্ন সুবিধার থেকে বঞ্চিত তাঁদেরকে এই পৃথিবীতে সংগ্রাম করে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার জন্য বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।
সামাজিক পুনর্বাসনের প্রচেষ্টা করার জন্য বিনামূল্যে দিব্যাঙ্গ ব্যক্তিদের বিবাহ অনুষ্ঠান।
আমাদের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান, মাননীয় কৈলাশ জি 'মানব' তাঁর সেবামূলক কাজের জন্য পদ্মশ্রী পুরস্কার পেয়েছেন।
গরীব শিশুদের জন্য বিনামূল্যে ভালো মানের ডিজিটাল শিক্ষা।
অত্যন্ত প্রতিভাবান, দিব্যাঙ্গ ব্যক্তিদের জন্য ট্যালেন্ট শো।
দৈনিক মজুরি শ্রমিক ও আক্রান্তদের জন্য বিনামূল্যে খাবার, মাস্ক, স্যানিটাইজার এবং রেশন কিট বিতরণ অভিযান
ওয়ার্ল্ড অফ হিউম্যানিটির লক্ষ্য হলো এমন একটা সমাজ তৈরি করা যেখানে সবাই সমান অধিকার পাবে এবং যেখানে সব ধরণের পরিষেবা পাওয়া যাবে।